গোয়েন্দা ফেলুদার একজোড়া রহস্য-অ্যাডভেঞ্চারই এ-বইয়ের একমাত্র আকর্ষণ নয়। পটভূমিকাতেও যেমন, স্বাদেও তেমনই একেবারে অভিনব একেকটি কাহিনী।
যেমন, ‘লন্ডনে ফেলুদা’। রহস্যটিই বড় নতুন ধরনের। এক বন্ধুর সঙ্গে তোলা নিজেরই কিশোর বয়সের একটি ফোটো নিয়ে ফেলুদার কাছে এলেন এক প্রতিষ্ঠিত চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট। কী, না, বন্ধুটি যে কে, কবে আর কোথায় আলাপ, ভদ্রলোকের মনেই পড়ছে না। ফেলুদা যেন বন্ধুটির পূর্ণ পরিচয় উদ্ধার করে দেন। এই সূত্রেই এই দুর্দান্ত উপন্যাস। এই বইতে আরেকটি যে-কাহিনী, তা হল, গোলাপী এক মুক্তাকে কেন্দ্র করে। দুষ্প্রাপ্য ও মহামূল্য এই মুক্তাটি হাতাতে স্বয়ং মগনলাল মেঘরাজ পর্যন্ত হাজির। ‘জয় বাবা ফেলুনাথ’ ও ‘যত কাণ্ড কাঠমাণ্ডুতে’র সেই কুখ্যাত মগনলাল। আর কী না, এ-উপন্যাসে শুধু মগনলালই হেরে যাননি, হার মানতে হয়েছে স্বয়ং ফেলুদাকেও। কীভাবে আর কার কাছে, অবশ্য এই টানটান কৌতূহলকর কাহিনীর একেবারে শেষ পৃষ্ঠায় না পৌঁছে জানা যাবে না। বইটির অলঙ্করণ করেছেন সত্যজিৎ রায়, প্রচ্ছদ এঁকেছেন সন্দীপ রায়।






Reviews
There are no reviews yet.